ভেপ মূলত তিন ধরনের। সবগুলোই নিকোটিনযুক্ত লিকুইড গরম করে ভেপারে পরিণত করে; পার্থক্য হলো কতটা যত্ন নিতে হয় আর মাসে খরচ কত।
ডিসপোজেবল
লিকুইড আর ব্যাটারি ভেতরেই থাকে, পুরোটা সিল করা। খুলবেন, শেষ হওয়া পর্যন্ত টানবেন, তারপর ফেলে দেবেন।
- কার জন্য: প্রথমবার ভেপ ট্রাই করতে, ট্রাভেলে, বা ব্যাকআপ হিসেবে।
- খরচ: দীর্ঘমেয়াদে সবচেয়ে বেশি, কারণ প্রতিবার পুরো ডিভাইস কিনতে হয়।
- জেনে রাখুন: বক্সে লেখা পাফ সংখ্যা আনুমানিক। কতদিন চলবে তা নির্ভর করে কত ঘনঘন আর কত লম্বা টানেন তার ওপর। এখন অনেকগুলোতে USB-C চার্জ দেওয়া যায়, তাতে লিকুইড শেষ পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়।
পড কিট
ছোট রিচার্জেবল ব্যাটারি আর একটা পড, যেটায় আপনি ই-লিকুইড ভরেন (অথবা আগে থেকে ভরা কার্টিজ)। ভেতরের কয়েল নষ্ট হলে শুধু কয়েল বা পড বদলান, ডিভাইস না।
- কার জন্য: যারা সিগারেট খান আর কাছাকাছি অনুভূতি চান: টাইট, মুখে টেনে তারপর ফুসফুসে নেওয়া (MTL) টান।
- খরচ: কম। মাসে এক বোতল লিকুইড আর কয়েকটা কয়েল বা পড।
- সবচেয়ে ভালো চলে: নিকোটিন সল্ট ই-লিকুইডে। নিকোটিন স্ট্রেংথ নিয়ে আমাদের গাইডটা দেখুন।
মড (বক্স মড বা ভেপ কিট)
বড় ব্যাটারি, পাওয়ার কমানো-বাড়ানো যায়, ওপরে ট্যাংক। বেশি ধোঁয়া, বেশি কন্ট্রোল, শিখতে একটু সময় লাগে।
- কার জন্য: যারা আগে থেকেই ভেপ করেন আর বেশি ভেপার ও ফ্লেভার চান।
- খরচ: মাঝামাঝি, তবে লিকুইড অনেক বেশি লাগে।
- সবচেয়ে ভালো চলে: কম স্ট্রেংথের ফ্রিবেস ই-লিকুইডে (৩ বা ৬ mg)। মডে হাই স্ট্রেংথের সল্ট দিলে অনেক বেশি কড়া লাগবে।
সংক্ষেপে
সিগারেট ছেড়ে আসছেন? পড কিট আর নিকোটিন সল্ট দিয়ে শুরু করুন। আগে একটু ট্রাই করতে চান? ডিসপোজেবল নিন। আগে থেকেই ভেপ করেন আর আরও চান? মড দেখুন।
ভেপ প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপায়ীদের জন্য। ধূমপান না করলে শুরু করবেন না।